Friday, October 7, 2022

একাকী ট্রেনে সফররত কিশোরের ফোন স্যুইচড অফ,রেলমন্ত্রীকে ট্যুইট করলেন বাবা! তারপর?

- Advertisement -spot_img
- Advertisement -spot_img

#নয়াদিল্লি: পরীক্ষার শেষে ট্রেনে চেপে একাই বাড়ি ফিরবে ছেলে। ফলে আনন্দেই ছিল গোটা পরিবার। আসলে কিশোর বয়সে একা ট্রেন সফরের রোমাঞ্চই আলাদা! আর সেই স্বাদ থেকে যাতে সন্তান বঞ্চিত না-হয়, তার জন্য অনুমতিও দিয়ে দিয়েছিলেন মা-বাবা। কিন্তু তার পরে যা হল, তা ভাবতে পারেননি কেউই (Viral News)!

সূত্রের খবর, পড়াশুনার জন্য ম্যাঙ্গালুরুতে থাকত ১৬ বছর বয়সী শান্তনু। সদ্যই তার দশম শ্রেণির পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ফলে কেরলের কোট্টায়ামের বাড়িতে ফেরার আনন্দে বুঁদ হয়েছিল ওই কিশোর। তার সঙ্গে অবশ্য জুড়েছিল একলা ট্রেন সফরের আনন্দও। মঙ্গলবার ভোরে তাই ম্যাঙ্গালুরু সেন্ট্রাল স্টেশন থেকে পরশুরাম এক্সপ্রেসে চেপে বসে সে। আর ছেলে ট্রেনে চেপেছে দেখে মা-বাবাও বেশ আশ্বস্ত হন। কিন্তু আচমকাই তাল কাটে। পাঁচ ঘণ্টা কেটে যাওয়ার পর ছেলে ঠিক আছে কি না খোঁজ নিতে ছেলেকে ফোন করেন বাবা। কিন্তু ফোন বন্ধ থাকায় ছেলের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাতেই অজানা আশঙ্কায় কেঁপে ওঠেন পেশায় অটোমোবাইল সংস্থার জেনারেল ম্যানেজার কিষাণ রাও (Kishan Rao)। কী করবেন বুঝে উঠতে না-পেরে সোজা ট্যুইট ঠুকে দেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণোর (Ashwini Vaishnaw) কাছে।

আরও পড়ুন– অরুণ লালের বিয়েতে কলকাতায় আসছেন বন্ধু রবি শাস্ত্রী, অতিথিদের তালিকায় সৌরভ, মনোজরাও

আর মজার বিষয় হল, এতেই কাজ হয়। ট্যুইট করার ঠিক ৩৪ মিনিটের মাথায় কিষণের ফোন বেজে ওঠে। ফোন ধরতেই ছেলে জানায়, সে একদম ঠিক আছে। পুত্রের সঙ্গে কথা বলে যেন ধড়ে প্রাণ ফিরে পান কিষাণ ও তাঁর স্ত্রী সন্ধ্যা।

পরে কিষণ জানিয়েছেন, শান্তনু জানিয়েছিল একা-একা ট্রেনে সফর করার আনন্দে আগের দিন রাতে সে ভাল করে ঘুমোতে পারেনি। তাঁর আরও বক্তব্য, ‘‘সকাল ১০টা নাগাদ ছেলের খোঁজ নিতেই তাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু ছেলের ফোন স্যুইচড অফ ছিল বলে বেশ ঘাবড়েই যাই। বারবার ফোন করেও কোনও লাভ হয়নি। আবার ওদিকে টিকিট পরীক্ষকের ফোন নম্বরটা নেওয়ার কথাও মাথায় আসেনি। ফলে কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরে আর কোনও উপায় না-দেখেই রেলমন্ত্রীকে ট্যুইট করেছিলাম।’’ শেষে রেলমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে চিন্তা দূর হয় কিষণ ও তাঁর পরিবারের।

আরও পড়ুন– ‘‘হ্যালো, আমি অভিষেক বলছি…’’, আচমকা ফোন পেতে পারেন বুথ স্তরের কর্মীরাও !

রেলমন্ত্রীর এমন সাহায্যের নজির নতুন নয়। এর আগেও বহু বার তিনি যাত্রীদের করা ট্যুইট দেখে তৎপর হয়েছেন এবং সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপও করেছেন। সাম্প্রতিক অতীতে পবন এক্সপ্রেসের যাত্রী তিন বছর বয়সী এক শিশু আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিল। ট্রেন থেকেই রেলমন্ত্রীকে ট্যুইট করে সাহায্য চান ওই শিশুর বাবা। বলাই বাহুল্য, সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন খোদ রেলমন্ত্রী। প্রয়াগরাজ স্টেশনে শিশুটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

Published by:Siddhartha Sarkar

First published:

Tags: Indian Railways

Source link

- Advertisement -spot_img

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest news
- Advertisement -spot_img
Related news
- Advertisement -spot_img